Motorola Edge 40 : ২৯,৯৯৯ টাকায় বিক্রি শুরু হবে ৩০ মে থেকে, ফিচার্স দেখলে মাথা খারাপ হয়ে যাবে

আপনি যদি ৩০,০০০ টাকার মধ্যে একটি মোবাইল কেনার কথা ভাবছেন, তাহলে Motorola Edge 40 অবশ্যই কিনতে পারেন, বিস্তারিত দেখে নিন এই প্রতিবেদনে

৩০শে মে ২০২৩,থেকে ভারতে বিক্রির জন্য প্রস্তুত Motorola Edge 40। আগ্রহী ব্যাক্তিরা এটি ফ্লিপকার্ট (Flipkart) থেকে কিনতে পারেন। এটি বর্তমানে ৩০,০০০ টাকার মধ্যে সেরা ৫জি ফোনগুলির মধ্যে একটি। মটোরোলার এই ফোনটিতে সেইসমস্ত ফিচার্স গুলি দেওয়া হয়েছে যা একটি মিড-রেঞ্জের ফোনে থাকা উচিৎ এবং তা সবসময়ই একজন ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করে।এতে একটি 144Hz ডিসপ্লে, 68W ফাস্ট চার্জিং চার্জার, একটি IP68 রেটিং, ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট, মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৮০২০ এসওসি (MediaTek Dimensity 8020 SoC) এবং আরও অনেক কিছু ফিচার্স দেওয়া হয়েছে।

২৯,৯৯৯ টাকায় এই ফোন টি ভারতে লঞ্চ করা হয়েছে, কিন্তু তা সত্ত্বেও ক্রেতা রা তাদের কিছু নির্দিষ্ট ব্যাংক কার্ড অফারের (Bank Card Offer) মাধ্যমে ফ্লিপকার্ট থেকে এই ফোনটি ২৭,৯৯৯ টাকায় ক্রয় করতে পারেন। কিন্তু একটি ফোন কেনার আগে তার সম্বন্ধে সমস্তটা যাচাই করে নেওয়া আবশ্যিক, তাই আজকের প্রতিবেদনে Motorala Edge 40 ফোনটির কী কী গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে একবার দেখে নেওয়া যাক।

Motorala Edge 40 : কেন কিনবেন এই ফোনটি, দেখে নিন এই কারণগুলি

  • Motorola Edge 40 ফোনটি মিড-রেঞ্জ সেগমেন্টে একটি দুর্দান্ত ৬.৫৫-ইঞ্চি ডিসপ্লের সাথে আসে। এই ফোনের কার্ভড স্ক্রিনে ভিডিও বা অন্যান্য কন্টেন্ট দেখতে ক্রেতারা বেশ তৃপ্তি উপভোগ করবেন। এটিতে একটি পি-ওলেড (p-OLED) প্যানেল রয়েছে, যার রিফ্রেশিং রেট হচ্ছে 144Hz এবং হাই-এন্ড OTT ভিডিও উপভোগ করার জন্য HDR 10+ এর টেকনোলজিও দেওয়া হয়েছে। এই ফোনটিতে ১২০০ এনআইটিএস (1200nits) উজ্জ্বলতার ব্রাইটনেস দেওয়া হয়েছে হাতে প্রখর সূর্যের আলোতেও স্ক্রীনটি বেশ ভালো ভাবে দৃশ্যমান হয়। নতুন মটোরোলা ফোনটিতে ডিসপ্লের মধ্যেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট (In-display fingerprint) সেন্সর দেওয়া হয়েছে এবং সেইসাথে ডলবি অ্যাটমোস সাপর্টেড স্টিরিও স্পিকারও দেওয়া হয়েছে।
  • Motorola Edge 40 ফোনটির পিছনের প্যানেলে একটি প্রিমিয়াম ভেগান লেদার ফিনিশ রয়েছে, যা খুবই স্যাটিসফাইং এবং হাতে একটি অন্যরকম অনুভূতির সৃষ্টি হয়।এই ৫জি ফোনটির খুব স্লিম বডি, লেদার ব্যাক ফিনিশ, হালকা ওজনের ডিজাইন এবং কার্ভড ডিসপ্লে এটিকে বাজারে সবার থেকে আলাদা করে তুলেছে। আসলে, লাইটওয়েট ডিভাইস এক হাতে ব্যবহার করা খুবই সহজ। সর্বোপরি বলা যায়, আপনি ফোনের বাক্সটি খোলার পর একটি দুর্দান্ত ডিজাইন পাচ্ছেন।
  • Motorola Edge 40 ফোনটির সবচেয়ে আশ্চর্যজনক সংযোজনগুলির মধ্যে একটি হল IP68 রেটিং সাপোর্ট, যেটি এই হ্যান্ডসেটটিকে ধুলো এবং জল প্রতিরোধী করে তোলে। আসলে ৩০,০০০ টাকার রেঞ্জের মধ্যে এই ফিচার্স কোন ফোনেই পাওয়া যায় না।
  • Motorola Edge 40 তে ২৯,৯৯৯ টাকায় ২৫৬জিবি স্টোরেজ পাওয়া যাবে, যেটি আপনি অন্যান্য কোন স্মার্টফোন কোম্পানির থেকে এই দামের মধ্যে পাবেন না, অর্থাৎ এটি যথেষ্ট প্রশংসনীয়। ব্যবহারকারীরা প্রচুর স্টোরেজ স্পেস পাচ্ছেন এই ফোন কিনলে।
  • মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৮০২০ চিপসেটটি এবং ১৪৪এইচজেড রিফ্রেশ রেট ইউজারদের সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং, কলিং, মাল্টি-টাস্কিং, ভিডিও এডিটিং সহ প্রতিদিনের কাজের জন্য একটি ফাস্ট এবং স্মুথ পারফর্মেন্স প্রদান করবে। অবশ্যই, জেনশিন ইমপ্যাক্টের মতো ভারী শিরোনামের ফিচার্সগুলি কম সেটিংসে স্মুথভাবে কাজ করবে যদি না আপনি হাই-গ্রাফিক্স সেটিংসে স্যুইচ না করেন। এছাড়া উল্লেখ্য যে, এই ফোন এর ইউজার ইন্টারফেসটি (UI) একদমই গোলমেলে নয় বরঞ্চ খুবই স্মুথ। Motorola Edge 40 টিতে স্টক অ্যান্ড্রয়েড এর অপারেটিং সিস্টেম দেওয়া হয়েছে।
  • যদিও বর্তমানে বেশ কয়েকটি স্মার্টফোন কোম্পানিগুলি ফোন এর সাথে চার্জার দেওয়া প্রায়ই বন্ধ করে দিয়েছে, কিন্তু কম দামের মধ্যেও অনেক ফিচার্স দেওয়ার সাথে সাথেও কোম্পানিটি বক্সে একটি ৬৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার প্রদান করে।এছাড়া, মটোরোলা ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তিও দিয়েছে এই ফোনটিতে , যা ৩০,০০০ টাকার দামের মধ্যে কোথাও পাবেন না।

Motorala Edge 40 : কেনার আগে এই বিষয়টি একবার অবশ্যই দেখা উচিৎ

Motorola Edge 40 : ফোনটিতে একটি ৪,৪০০ এমএএইচ (4400 mAh) ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। সুতরাং, মিড-রেঞ্জ মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি 8020 SoC, 1200nits উজ্জ্বলতা সম্পন্ন একটি 144Hz ডিসপ্লে এবং ক্যামেরার নিরিখে এই ব্যাটারি খুব তাড়াতাড়িই ড্রেন হয়ে যাবে। কিন্তু, এটি একটি আপনার এই ফোনটি কেনার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণ হতে পারে না, কারণ কোম্পানিট এই ফোনের সাথে একটি 68W ফাস্ট চার্জার প্রদান করছে, তাই এটি খুবই দ্রুত ব্যাটারি টপ আপ করতে সাহায্য করবে।

আরো পড়ুন